বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন এবং শহরের জলাবদ্ধতা কমাতে ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সৈয়দপুর পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা।
পৌর কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শহরের বিভিন্ন এলাকার প্রধান ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হলেও কয়েকটি স্থানে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে ড্রেনের ভেতরে পলিথিন, প্লাস্টিকের সামগ্রী, পানির বোতলসহ দীর্ঘদিনেও সহজে নষ্ট হয় না—এমন বর্জ্য জমে থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে। এসব বর্জ্য পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করায় অল্প সময়ের বৃষ্টিতেও কিছু এলাকায় পানি জমে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা বলেন, ড্রেন পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব শুধু পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ওপর নির্ভর করলে হবে না। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। ড্রেনে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করে নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেললে পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখা সহজ হবে।
তিনি আরও বলেন, শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা পৌর কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য যথাস্থানে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নাগরিকদের সহযোগিতা পাওয়া গেলে জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণ—দুই সমস্যাই অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কারের পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে নাগরিকদের সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা ও ভারী বৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক রাখতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার উদ্যোগ রয়েছে।
পৌর কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি নাগরিকরা ড্রেনে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করলে শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে। এতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমার পাশাপাশি সৈয়দপুরের পরিবেশও পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে।